যুবশক্তি প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া অক্টোবরেই শুরু হওয়ার কথা, যদিও এখনও সরকারি তরফে চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি আসেনি। প্রথম বাজেটেই সরকার জানিয়েছিল, অক্টোবর থেকে বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পের আওতায় মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবেন। তবে আবেদনের সময় হাতে দুটো গুরুত্বপূর্ণ নথি রাখা দরকার হবে — ইনকাম সার্টিফিকেট আর রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট।
যুবশক্তি প্রকল্পে এই দুটো সার্টিফিকেট জরুরি কেন?
স্নাতক উত্তীর্ণ বেকাররা মাসে ৩ হাজার টাকা আর যাঁরা এখনও স্নাতক শেষ করেননি বা যারা মাধ্যমিক পাশ তারা মাসে ২ হাজার টাকা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। স্নাতকদের ক্ষেত্রে কলেজের প্রভিশনাল ডিগ্রি সার্টিফিকেট লাগবে।
তবে এই প্রকল্পে আবেদনের একটা বড় শর্ত হলো, পরিবারের মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না। এই শর্ত পূরণ হচ্ছে কিনা, তার প্রমাণ হিসেবেই লাগবে ইনকাম সার্টিফিকেট। এর পাশাপাশি ঠিকানা প্রমাণের জন্য রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেটও চাওয়া হতে পারে।
এই দুই সার্টিফিকেট কীভাবে বানাবেন?
পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা মোবাইল বা কম্পিউটার থেকেই এই দুটো সার্টিফিকেট তৈরি করতে পারবেন। প্রক্রিয়াটা এরকম —
(১) প্রথমে ব্রাউজারে গিয়ে ‘Citizen Corner’ লিখে সার্চ করতে হবে, এরপর প্রথমে আসা ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। নিচের দিকে থাকা চেকবক্সে টিক দিয়ে ‘Proceed to mobile verification’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
(২) এরপর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি যাচাই করলেই খুলে যাবে আবেদনপত্র। সেখানে জেলা, ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত, নিজের নাম, অভিভাবকের নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখের মতো তথ্য পূরণ করতে হবে। এরপর কোন সার্টিফিকেট চাই — ইনকাম নাকি রেসিডেন্সিয়াল, তা বেছে নিতে হবে। সবশেষে মোবাইল নম্বর ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে আবেদন জমা দিতে হবে।
আবেদনের পর কী হবে?
একই ওয়েবসাইট থেকে নিজের আবেদনের অবস্থা যেকোনও সময় দেখে নেওয়া যাবে। ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (BDO) আবেদন অনুমোদন করলেই সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যাবে সহজে।
আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা প্রকল্পে আবার ৫০০ টাকা বাড়বে? প্রশাসনিক সভায় ঠিক কী কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?
সব মিলিয়ে বলা যায়, যুবশক্তির চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি এখনও না এলেও, প্রয়োজনীয় নথিগুলো আগে থেকেই তৈরি করে রাখলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন করে ফেলা যাবে, দেরি হবে না।
