রান্নার গ্যাস ব্যবহারকারীদের জন্য একটা জরুরি নিয়ম বদল আসছে ১ অক্টোবর থেকে। কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি পেতে গেলে বায়োমেট্রিক আধার যাচাই বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে।
বায়োমেট্রিক যাচাই না করালে কী হবে?
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ না করলে গ্যাস বুকিং বা সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে না, ভয়ের কিছু নেই। তবে সরকারি ভর্তুকির টাকা আর মিলবে না। অর্থাৎ পরবর্তী রিফিল সিলিন্ডার কিনতে হবে বাজারের পুরো দামে, কোনও ছাড় ছাড়াই।
১ অক্টোবর থেকে কেন এই নিয়ম আনা হচ্ছে?
একই ব্যক্তির নামে একাধিক ভুয়ো বা অবৈধ সংযোগ থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে এই ধরনের নকল সংযোগ সহজেই চিহ্নিত করে ব্লক করে দেওয়া যাবে।
পাশাপাশি, হোটেল, রেস্তোরাঁ বা কারখানায় বাড়ির জন্য বরাদ্দ ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার প্রবণতাও এর ফলে বন্ধ হবে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বক্তব্য, ভর্তুকির টাকা যাতে অপব্যবহার না হয়, সেটাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
সাধারণ LPG গ্রাহকদের কী লাভ?
এই ব্যবস্থার ফলে সরকারি ভর্তুকি সরাসরি প্রকৃত ও যোগ্য পরিবারগুলোর কাছেই পৌঁছবে। জাল গ্যাস সংযোগ ধরে ফেলা সহজ হবে, আর গৃহস্থালির সিলিন্ডার শিল্প বা বাণিজ্যিক কাজে বেআইনিভাবে ব্যবহারের প্রবণতাও কমবে।
আরও পড়ুন: শুরু হলো ‘সেবা সেতু অভিযান’ ২ তারিখ থেকে এখানে কী কী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন? পুরো তালিকা দেখুন
যারা ইতিমধ্যে তাদের আধার সংযোগের সাথে আধার বায়োমেট্রিক এর কাজ সম্পন্ন করে রেখেছে তাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। সব মিলিয়ে বলা যায়, ভর্তুকি ধরে রাখতে চাইলে ১ অক্টোবরের আগেই নিজের এলপিজি সংযোগে বায়োমেট্রিক আধার যাচাই সেরে ফেলা উচিত। নয়তো গ্যাস পেতে সমস্যা না হলেও, পকেট থেকে বাড়তি টাকা গুনতে হবে প্রতি রিফিলে।
