পুজোর ঠিক আগে স্বস্তির খবর পেলেন পুরুলিয়া জেলার যুব ও ক্রীড়া দফতরের কর্মীরা। জেলার ২৩ জন ভলেন্টিয়ার আর একজন কো-অর্ডিনেটর দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাচ্ছিলেন না। ষষ্ঠীর একদিন আগে তাঁদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কারা এই কর্মী, কী কাজ করেন
রাজ্যের যুব ও ক্রীড়া দফতরের আওতায় পুরুলিয়ার প্রতিটি ব্লক ও পুরসভায় একজন করে ভলেন্টিয়ার আছেন, আর পুরো জেলার দায়িত্বে একজন কো-অর্ডিনেটর। তাঁদের কাজ ব্লক ও পুরসভা স্তরে খেলাধুলার প্রসারে নজর দেওয়া, যুবদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিতে সাহায্য করা এবং সরকারি অনুষ্ঠান ও সচেতনতা শিবির আয়োজন করা।
কেন আটকে ছিল বেতন?
রাজ্যে সরকার বদলের পরেও গত জুন থেকে এই কর্মীদের বেতন বন্ধ ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী মাসিক বেতন ভলেন্টিয়ারদের ১২,৭৩০ টাকা আর কো-অর্ডিনেটরের ১৮,০৩৫ টাকা। এই বেতন না মেলায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল, পুজোর মুখে পরিবারের জন্য নতুন জামাকাপড় কেনাও সম্ভব হচ্ছিল না।
বেতন সমস্যার সমাধান কীভাবে হল?
বেতন আটকে থাকার খবর কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর পাশাপাশি কর্মীরা জেলা প্রশাসন আর মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও আবেদন জানিয়েছিলেন। তারপরেই বকেয়া মিলেছে।
কর্মীরা কী বলছেন?
কর্মী বিকাশ মাঝি জানিয়েছেন, দুদিন আগেই তাঁরা বেতন হাতে পেয়েছেন। বেতন না এলে পরিবার নিয়ে তাঁদের পথে বসার অবস্থা হত বলে তাঁর বক্তব্য। বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
ভবিষ্যতের আশ্বাস
যুব দফতরের এক আধিকারিক আশ্বাস দিয়েছেন, এখন থেকে এই কর্মীরা প্রতি মাসেই নিয়মিত বেতন পাবেন।
সব মিলিয়ে, বেতন পেয়ে এই ২৪ জন কর্মীর পুজোর আনন্দ ফিরেছে। তবে আসল পরীক্ষা হবে আগামী মাসগুলোয়, নিয়মিত বেতন সত্যিই মিলছে কিনা, সেটাই এঁদের ভরসার জায়গা।
