অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে আবার আবেদনের সুযোগ! কোথায় যেতে হবে, কী কী রেডি রাখবেন জানুন

পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে চালু হওয়া সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ বা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় খবর। পুজোর আবহে রাজ্যের দেড় কোটিরও বেশি মহিলা ইতিমধ্যেই তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। পাশাপাশি নতুন করে প্রায় ৮ লক্ষ যোগ্য প্রাপককে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াও জোরকদমে চলেছে।

তবে যাঁরা এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারেননি, তাঁদের জন্য এবার ফের সুখবর নিয়ে এল রাজ্য প্রশাসন। নতুন করে আবেদন গ্রহণের দিনক্ষণ কার্যত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

কেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল অন্নপূর্ণার আবেদন গ্রহণ?

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পের সূচনালগ্ন থেকেই অফলাইন এবং অনলাইন মাধ্যমে ব্যাপক হারে আবেদন জমা পড়েছিল। বিপুল সংখ্যক নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা (ভেরিফিকেশন), ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্কিং নিশ্চিত করা এবং কোনো ত্রুটিপূর্ণ আবেদন রয়েছে কি না তা যাচাই করার কারণেই নতুন ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। উপভোক্তা তালিকায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছাতেই ফের নতুন আবেদন নেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

কবে নতুন করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন করা যাবে?

নবান্ন ও প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস থেকেই পুনরায় নতুন উপভোক্তাদের নাম নথিভুক্তকরণের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।

বিশেষ সরকারি শিবির: আগের মতোই এলাকাভিত্তিক বিশেষ সরকারি ক্যাম্প বা জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। সেখানে সরাসরি গিয়ে অফলাইনে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

অনলাইন পোর্টাল: যে সমস্ত মহিলারা সরাসরি সরকারি শিবিরে উপস্থিত হতে পারবেন না, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে অনলাইন ফর্ম ফিলাপের সুবিধাও চালু থাকবে।

সেবা সেতু অভিযান: এর আগে যাঁরা বিশেষ সেবা সেতু অভিযানে অংশ নিতে পারেননি, আসন্ন শীতকালীন শিবিরগুলিতে তাঁরা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ সহ অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সরকারি সুবিধার জন্যও আবেদন করতে পারবেন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদনের জন্য কী কী নথি রেডি রাখবেন?

নতুন দফায় অন্নপূর্ণা প্রকল্পে আবেদন শুরু হওয়ার আগেই উপভোক্তাদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র রেডি রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • আবেদনকারীর নিজস্ব সচল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (যেখানে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা DBT সক্রিয়)
  • বৈধ আধার কার্ড
  • ভোটার কার্ড
  • পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
  • সচল মোবাইল নম্বর সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক

আরও পড়ুন: হঠাৎ দরকারে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন চান? আধার ও প্যান কার্ড থাকলে এভাবে সুবিধা নিন

তথ্য যাচাইয়ে সফল হলেই সরাসরি প্রাপকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে পৌঁছে যাবে সহায়তার ৩,০০০ টাকা।

Leave a Comment