গাড়ি চালকদের জন্য বড়সড় নিয়ম বদল এসেছে। ১ অক্টোবর থেকে বৈধ পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল (PUC) শংসাপত্র না থাকলে গাড়িতে পেট্রোল, ডিজেল বা CNG কিছুই ভরা যাবে না। শুধু জ্বালানি নয়, রাস্তায় ধরা পড়লে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানাও হতে পারে।
তবে একটা বিষয় আগে স্পষ্ট করে নেওয়া ভালো। এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে দিল্লি-NCR এলাকায়। পশ্চিমবঙ্গের পেট্রোল পাম্পে আপাতত এমন কোনও নিয়ম নেই।
কোন কাগজের কথা বলা হচ্ছে?
PUC শংসাপত্র দেখায়, গাড়ির ধোঁয়া নির্ধারিত দূষণমাত্রার মধ্যে আছে কিনা। নিয়ম অনুযায়ী গাড়ির প্রথম রেজিস্ট্রেশনের এক বছর পর থেকে বৈধ PUC রাখা বাধ্যতামূলক। আধিকারিকরা চাইলে এটা দেখাতে হয়।
পাম্পে কীভাবে যাচাই হবে?
শীতে বাতাসের মান খারাপ হওয়ার আগে CAQM এই “নো PUC, নো ফুয়েল” ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। দিল্লির প্রায় ৫০০টি পাম্পে নম্বরপ্লেট চেনার ক্যামেরা (ANPR) বসানো হয়েছে, আর পুরো NCR-এ ১,০৪১টি পাম্পে এই ক্যামেরা বসছে। গাড়ির নম্বর স্ক্যান করে PUC-র অবস্থা দেখা হবে। বৈধ শংসাপত্র না থাকলে পাম্প জ্বালানি দিতে অস্বীকার করবে আর গাড়ির নম্বর নথিভুক্ত করবে। হরিয়ানার NCR জেলাগুলোতে শুরুতে হাতে যাচাই হবে।
জরিমানা আর জ্বালানি বন্ধ, দুটো আলাদা ব্যবস্থা
বৈধ PUC ছাড়া গাড়ি চালালে মোটর ভেহিকেল আইনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এটা আলাদা শাস্তি। পাম্পে জ্বালানি না পাওয়া আরেকটা পৃথক ব্যবস্থা। মানে, পাম্পে গিয়ে সরাসরি ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে, এমন নয়।
কোন গাড়িতে নিয়ম প্রযোজ্য
নিয়মটা পেট্রোল, ডিজেল আর CNG চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে। বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) PUC দেখানোর প্রয়োজন নেই।
পশ্চিমবঙ্গের চালকদের জন্য কী নিয়ম?
আপনি নিজের গাড়ি নিয়ে দিল্লি-NCR-এ গেলে সেখানকার পাম্পে জ্বালানি ভরার আগে PUC বৈধ আছে কিনা দেখে নিন। মেয়াদ শেষ হলে অনুমোদিত PUC কেন্দ্র থেকে নতুন শংসাপত্র করিয়ে নেওয়াই নিরাপদ।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা ২০২৬, আপনার নাম আছে কিনা এভাবে চেক করুন
সব মিলিয়ে বলা যায়, শীতের দূষণ ঠেকাতে সরকার এখন জ্বালানি কেনার জায়গাতেই নজরদারি বসিয়েছে। তাই দিল্লি-NCR-এ গাড়ি চালালে PUC-র মেয়াদ আগে থেকে দেখে রাখা ছাড়া উপায় নেই।
