কৃষক বন্ধুর টাকা বন্ধ হয়ে যেতে পারে! হাতে মাত্র ১০ দিন, এখনই সেরে ফেলুন এই কাজ

কৃষক বন্ধু (Krishak Bandhu) প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে আসা কৃষকদের জন্য সময়ের বিপরীতে দৌড় শুরু হয়ে গেল। রাজ্য সরকার নতুন করে উপভোক্তা তালিকা তৈরি করছে, আর পুরনো উপভোক্তাদের সেই তালিকায় থাকতে হলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ফর্ম জমা করতে হবে।

কৃষক বন্ধুর নতুন ফর্ম ফিলাপে দেরি হলে কী হবে?

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে ফর্ম বা নথি না পেলে আপনার যোগ্যতা যাচাই করাই কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ ঝুঁকিটা সরাসরি কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা হারানোর দিকেই যেতে পারে, তাই এই ১০ দিনকে হালকাভাবে নেওয়া চলবে না।

কোথায় ফর্ম জমা দিতে হবে?

ফর্মটি পূরণ করে নিজের ব্লকের কৃষি আধিকারিকের দফতরে জমা দিতে হবে। যাঁরা এতদিন ফর্ম জমা দিতে পারেননি, তাঁদের জন্যও এই সময়সীমার মধ্যে সুযোগ খোলা রাখা হয়েছে। জমা দেওয়ার নিয়ম ও বাকি নির্দেশিকা কৃষি দফতরের ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া আছে।

ফর্মের সাথে কী কী কাগজ জমা দেবেন?

কৃষক বন্ধু ফর্মের সাথে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং সেই অ্যাকাউন্টে যুক্ত আধার নম্বর জমা দিতে হবে। সঙ্গে লাগবে কৃষক বন্ধুতে নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর, আর জমির পরিমাণ ও জমির কাগজপত্র। বিবাহিত হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর আধার ও মোবাইল নম্বরও দিতে হবে। এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও কোনও নথির কথা থাকলে সেটাও সঙ্গে রাখুন।

কৃষক বন্ধু সম্পর্কিত SMS এলে করুন এই কাজ

সরকারি ডেটাবেসে যাঁদের মোবাইল নম্বর ঠিকঠাক আছে, তাঁরা এই বিষয়ে এসএমএস পেতে পারেন। মেসেজ পেলে আলাদা করে কারও ডাকের অপেক্ষা না করে সঙ্গে সঙ্গে ফর্ম ভরে জমা দিয়ে দেওয়াই ভালো। ইতিমধ্যে অনেকেই ফর্ম দিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁদের তথ্য মিলিয়ে দেখার কাজ চলছে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

সরকার কেন আবার কৃষক বন্ধুর তথ্য যাচাই করছে?

সরকারের যুক্তি, সাহায্য যেন সত্যিকারের যোগ্য চাষিদের হাতেই পৌঁছয়। অভিযোগ রয়েছে, আগের সরকারের সময় বিভিন্ন প্রকল্পে অযোগ্য ব্যক্তিরাও সুবিধা নিয়েছেন। তাই কাগজপত্র মিলিয়ে দেখা, বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের মধ্যে গরমিল খোঁজা এবং দরকার হলে মাঠে গিয়ে খতিয়ে দেখার কাজ চলবে।

আরও পড়ুন: ছেলে-মেয়েরা প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে পাবে, নতুন এই প্রকল্পের জন্য ফর্ম জমা করুন

আরও একটা খবর কৃষকদের জন্য

যোগ্য PM-KISAN উপভোক্তাদের কেন্দ্রের টাকার সঙ্গে রাজ্য বছরে আরও ৩ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কৃষি সংক্রান্ত এসব সুবিধা অটুট রাখতে ১০ দিনের মধ্যে কাজটা সেরে ফেলাই এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের পথ।

Leave a Comment