এক লাফে সাত গুন ভাতা বৃদ্ধি! সরকারি কর্মীদের জন্যে রাজ্য সরকারের বিরাট ঘোষণা

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

রাজ্য সরকার সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বহুদিন ধরে আন্দোলন চলছিল।

কিন্তু এবার রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য এক ধাক্কায় সাতগুণ পর্যন্ত ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। 

ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা 

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রের ইনচার্জ, সেন্টার সেক্রেটারি এবং ভেন্যু সুপারভাইজার সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত শিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বর্তমান সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধির দাবি চলছিল।

কিন্তু এতদিন পর্যন্ত শিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়নি। তাদের কাজের সঠিক মূল্যায়ন করার জন্য এবং পরীক্ষা ব্যবস্থা সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য এবার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে। 

কোন পদে কত ভাতা বৃদ্ধি?

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন ভাতার তালিকা নিম্নরূপ- 

  • DI-রা ২০০০ টাকা,
  • জয়েন্ট কনভেনররা ২৫০০ টাকা,
  • ডিএসিরা ১৫০০ টাকা,
  • পরীক্ষার ভেন্যুর দায়িত্ব থাকা কাউন্সিলিং নমিনি যারা ছিল তারা ৬০০ টাকা,
  • সেন্টার ইনচার্জভেন্যু সুপারভাইজাররা ১৫০০ টাকা,
  • প্রশ্ন দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা ৭০০ টাকা ভাতা পাবেন।

আগের ভাতা এবং বর্তমান ভাতা 

এর আগে পরীক্ষা কেন্দ্রের ইনচার্জদের ভাতা ছিল ৩০০ টাকা, যা এখনকার ভাতার থেকে অনেকটাই কম। এছাড়া সেক্রেটারিরা ৩০০ টাকা এবং ভেন্যু সুপারভাইজাররা ১৫০ টাকা ভাতা হিসাবে পেতেন। তবে এবার তাদের ভাতায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটানো হয়েছে, যা এক ধাক্কায় তাদের আগের ভাতার তুলনায় ৭ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। 

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

ভাতা বৃদ্ধিতে সরকারের অতিরিক্ত খরচ এবং প্রভাব 

সংবাদসূত্র অনুযায়ী এই ভাতা বৃদ্ধির জন্য রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত ৮০ লাখ টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন হবে। সরকারের এই উদ্যোগে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের কর্মদক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং তারা তাদের দায়িত্ব পালনে আরো উৎসাহিত হবেন এটাই আশা করা যায়। এই সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের তরফে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Comment