২০০০ টাকার নোট বাজারে থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অনেক দিন আগেই। প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করে বাসিন্দাদের ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা দিতে বলেছিল আরবিআই। তবে, এখন একটি আশ্চর্যজনক সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ৬,৫৭৭ কোটি টাকার ২০০০ টাকার নোট এখনও বাজারে প্রচলিত রয়েছে।
২০০০ টাকার নোট কবে প্রবর্তন করা হয়?
পুরানো ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের পর ২০১৬ সালে ২০০০ টাকার নোট প্রথম চালু করা হয়েছিল। বাতিল করা মুদ্রার প্রতিস্থাপনের জন্য এই নতুন নোটগুলি তৈরি করা হয়। তবে, সময়ের সাথে সাথে, বাজার জাল ২০০০ টাকার নোটে ভরে যায়, যা তাদের সত্যতা এবং সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। পরবর্তীতে আরবিআই বাধ্য হয় এই নোট প্রত্যাহার করতে।
কেন আরবিআই উদ্বিগ্ন?
আরবিআই বিশ্বাস করে যে ফেরত না দেওয়া ২০০০ টাকার নোটগুলি সম্ভাব্যভাবে অসৎ কার্যকলাপ বা অবৈধ লেনদেনের সাথে জড়িত থাকতে পারে। যেহেতু বেশিরভাগ নোট ইতিমধ্যেই ফেরত দেওয়া হয়েছে, তাই অবশিষ্ট নোটগুলি কালো টাকা, অর্থ পাচার বা অন্যান্য অবৈধ ব্যবহারের মতো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে।
এই কারণেই আরবিআই এই নোটগুলি কোথায় আছে তা খুঁজে বের করতে এবং বাজারে যাতে সেগুলি চলতে না পারে তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
আরও পড়ুন: ৬ দশকের পুরনো আয়কর আইন বদলে ফেলা হচ্ছে, নতুন আয়কর আইনে কী কী সুবিধা মিলবে?
কতগুলো নোট ব্যাঙ্কে ফিরেছে?
১৯ মে, ২০২৩ তারিখে, আরবিআই ঘোষণা করেছিল যে সমস্ত ২০০০ টাকার নোট প্রচলন থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং লোকেদের কাছে তাদের নোট বিনিময় বা জমা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় ছিল।
তবে, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে, আরবিআই আবিষ্কার করেছে যে এখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ২০০০ টাকার নোট আসেনি ব্যাঙ্কে। আরবিআই অনুসারে, ২০০০ টাকার নোটের ৯৮.১৫% সফলভাবে ব্যাংকগুলিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বাকি ৬,৫৭৭ কোটি টাকার হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি।